Skip to main content
চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গেছে এক তরুণ।
শুরু হলো প্রশ্নোত্তর পর্ব-
প্র.: কংক্রিটের মেঝেতে ডিম ফেলবেন, কিন্তু
ফাটবে না-কীভাবে করবেন এটা?
উ.: কংক্রিটের মেঝে আসলে খুব শক্ত, ফাটার
কোনো আশঙ্কাই নেই!
প্র.: একটা দেয়াল বানাতে আটজন মানুষের যদি ১০
ঘণ্টা লাগে, চারজন মানুষের কত সময় লাগবে?
উ.: কোনো সময়ই লাগবে না, কারণ দেয়ালটা
ততক্ষণে তৈরি হয়ে যাবে!
প্র.: আপনার এক হাতে যদি তিনটি আপেল ও চারটি
কমলা থাকে, আর আরেকটি হাতে থাকে চারটি
আপেল ও তিনটি কমলা; তাহলে কী পেলেন আপনি?
উ.: বিশাল বড় হাত।
প্র.: এক হাতে একটা হাতিকে কীভাবে ওপরে
তুলবেন?
উ.: এক হাতের আটবে এমন হাতিকে জীবনেও খুঁজে
পাবেন না!
প্র.: একজন মানুষ কী করে আট দিন না ঘুমিয়ে
থাকতে পারে?
উ.: কোনো সমস্যা নেই, সে রাতে ঘুমাবে!
প্র.: নীল সাগরে যদি একটা লাল পাথর ছুড়ে
মারেন, কী হবে?
উ.: যা হওয়ার তা-ই, পাথরটি ভিজে যাবে অথবা
ডুবে যাবে টুপ করে।
প্র.: কোন জিনিসটি দেখতে একটি অর্ধেক
আপেলের মতো?
উ.: আপেলের বাকি অর্ধেকটি।
প্র.: ব্রেকফাস্টে কোন জিনিসটা কখনোই খেতে
পারেন না আপনি?
উ.: ডিনার।
পয়লা ধাক্কায় বেশ ভালোভাবেই উতরে গেল তরুণ।
শুরু হলো দ্বিতীয় পর্ব।
প্রশ্নকর্তা বললেন,
‘আপনাকে আমি ১০টি জলের মতো সহজ প্রশ্ন করব
অথবা কেবল একটা প্রশ্ন করব লোহার মতো কঠিন।
উত্তর দেওয়ার আগে ভালো করে ভেবে দেখুন,
কোন অপশন বেছে নেবেন আপনি।'
তরুণ কিছুক্ষণ ভাবনার চৌবাচ্চায় সাঁতার কাটল।
তারপর বলল, ‘কঠিন প্রশ্নের উত্তরটাই দিতে চাই।'
প্রশ্নকর্তা হেসে বললেন, ‘ভালো, শুভকামনা
আপনার জন্য। আপনি আপনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এবার বলুন, কোনটা প্রথমে আসে-দিন না রাত?'
তরুণের বুকে ঢাকের বাড়ি।
কালঘাম ছুটে যাচ্ছে তার।
এই প্রশ্নের উত্তরেই ঝুলে আছে তার চাকরিটা।
এবার ভাবনার সাগরে ডুব দিল সে।
উত্তরে বলল, ‘দিন প্রথমে আসে, স্যার!'
‘কীভাবে?' প্রশ্নকর্তার প্রশ্ন।
‘দুঃখিত, স্যার, আপনি কথা দিয়েছিলেন, দ্বিতীয়
কোনো কঠিন প্রশ্ন করবেন না আমাকে!'
ব্যস চাকরি পাকা হয়ে গেল তরুণের!

Comments

Popular posts from this blog

Lilaboti 2

২১. পরীবানুর চিঠি Sep 19, 2017 | লীলাবতী (২০০৫) মঞ্জু তাঁর স্ত্রী এবং ঝড়-তুফানকে নিয়ে নিজ গ্রামে ফিরে গেছেন। লীলাবতীকে বলেছেন, মা, আমি তো ঘরজামাই না। ঘরজামাই হলে ভিন্ন কথা ছিল। আমি এখন একা না, আমার স্ত্রী আছে, দুই পুত্ৰ আছে। লীলাবতী বলল, পরী কি আপনার সঙ্গে যেতে চায়? মঞ্জু বিরক্ত হয়ে বললেন, তার আবার চাওয়া-চাওয়ি কী?... ২২. আমরা সবাই অপেক্ষা করি Sep 19, 2017 | লীলাবতী (২০০৫) লীলাবতী মূল বাড়ির উঠানে বসে আছে। সে মজার একটা দৃশ্য দেখছে। তার সামনে হাত পঁচিশেক দূরে একটা কাঁঠালগাছ। কাঁঠালগাছের নিচে গর্তমতো হয়েছে। বর্ষার পানি জমেছে। গর্তে। সেই পানিতে একটা কাক গোসল করছে। গোসল সারছে অতি ব্যস্ততায়। ঠোঁটে পানি নিয়ে পালকে মাখছে। কাকের স্নান মুগ্ধ হয়ে...

Md Yousuf

Md Yousuf Name: MD YOUSUF Father's Name: SHAZIBAL HOUQUE Mother's Name: PARUL BIBI Hight:5.4" Mobile: +8801838467839 Email:yousufhossain985@gmail.com

লঙ্কা

লঙ্কা কাকাবাবু বললেন, অসম্ভব! তোমার এ-কথা আমি কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছি না। তুমি এ-প্রসঙ্গ আর আমার কাছে বোলো না, অন্য কথা বলো? অরিজিৎ একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, কাকাবাবু, আমার যে আর অন্য কোনও উপায় নেই। কাকাবাবু ধমকের সুরে বললেন, হ্যাঁ, উপায় আছে। তুমি এক্ষুনি চান করে নাও, তারপর ভাল করে খাওন্দাও, তারপর একটা লম্বা ঘুম দাও! অরিজিৎ আবার বলল, কাকাবাবু, তুমি বুঝতে পারছ না… কাকাবাবু তাকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, আমার আর বোঝার দরকার নেই। তারপর তিনি গলা চড়িয়ে ডাকলেন, সন্তু! সন্তু!সন্তু একটু আগেই ব্যাডমিন্টন খেলে ফিরেছে। কাকাবাবুর ঘরে একবার উঁকি মেরে ওপরের ঘরে চলে গেছে। কাকাবাবুর ডাক শুনে নীচে নেমে এল তরতর করে। মা-বাবা বেড়াতে গেছেন। পুরী, বাড়িতে আর বিশেষ লোকজন নেই। কাকাবাবুর ঘরে একজন ভদ্রলোককে দেখতে পেল সন্তু, মুখটা চেনা-চেনা। খুব সম্ভবত মধ্যপ্রদেশে কোথাও দেখা হয়েছিল। কিন্তু এখন তার মুখে খোঁচাখোঁচা দাড়ি। মাথার চুল ধুলোবালি-মাখা, তার গায়ের প্যােন্টশার্ট দোমড়ানো-মোচড়ানো, কেমন যেন পাগল-পাগল চেহারা। কাকাবাবু বললেন, অরিজিৎকে চিনতে পারছিস তো, সন্তু? অরিজিৎ সিকদার। সেই একবার বস্তার জেলার ...