Skip to main content

ভালবাসার গল্প

তাইতো মরতে- মরতে ও বেচে গেলাম। রিয়ান এতোক্ষণ পর
বুঝতে পারলো যে এখন যা ও দেখছে বা ওর সাথে হচ্ছে সব
সত্য, রিয়ান কিছুসময় চুপ থেকে অতঃপর জোরে চিৎকার
দিয়ে ডক্টরকে ডাকতে লাগলো--- ডক্টর ও রেসপন্স
করেছে,ও রেসপন্স করেছে। তারপর উচ্চস্বরে হেসে বলতে
লাগলো-- এই ভাড়াটে বউ তুই আমার সাথে বাড়ি যাবিনা?
--- না, --- কিন্তু কেন? --- কারন এই যে তুই বললি আমি তোর
ভাড়াটে বউ, যার ২ মাস ফুরিয়ে গেছে। --- রিয়ান তখন
হাসতে - হাসতে বললো, হ্যা তো তুই আমার ভাড়াটে বউ তো,
তবে ২ মাসের জন্য নয় সারাজিবনের। এই বলে রাইসার
হাতটা আর ও শক্ত করে আকড়ে ধরলো আর যাতে হারিয়ে
না যায়। তারপর রিয়ান কাঁদতে লাগলো, রিয়ানের কান্না
দেখে রাইসা বলে উঠলো-- এ মা রিয়ান হক কাঁদছে। --- কী
করবো বল, তুই য়ে তো কাঁদতে শিখিয়ে দিলি, আমায় ছেড়ে
চলে যাস না প্লিজ। --- কখনো না, এই যে হাতটা ধরলাম
মৃত্যু অবদি শক্ত করে ধরে রাখবো। ( সমাপ্ত). ( এই যে
আপনাদের বলছি যারা রিয়ানের মতো এমন কেউকে
ভালোবেসে জিবনটাকে থামিয়ে দিতে চাইছেন তাদের
বলছি, থমকে যাবেননা, সমস্ত কষ্টকে উপেক্ষা করে সামনে
হাটতে থাকুন দেখবেন এমন কারো দেখা পাবেন যে আপনে
মাঝ পথে হোচট খেয়ে পড়ে গেলে ও ছেড়ে চলে যাবেনা
😊 যাইহোক, ধন্যবাদ গল্পটি পড়ার জন্য সবাইকে,ভুল- হলে
ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। পিংকি

Comments

Popular posts from this blog

Lilaboti 2

২১. পরীবানুর চিঠি Sep 19, 2017 | লীলাবতী (২০০৫) মঞ্জু তাঁর স্ত্রী এবং ঝড়-তুফানকে নিয়ে নিজ গ্রামে ফিরে গেছেন। লীলাবতীকে বলেছেন, মা, আমি তো ঘরজামাই না। ঘরজামাই হলে ভিন্ন কথা ছিল। আমি এখন একা না, আমার স্ত্রী আছে, দুই পুত্ৰ আছে। লীলাবতী বলল, পরী কি আপনার সঙ্গে যেতে চায়? মঞ্জু বিরক্ত হয়ে বললেন, তার আবার চাওয়া-চাওয়ি কী?... ২২. আমরা সবাই অপেক্ষা করি Sep 19, 2017 | লীলাবতী (২০০৫) লীলাবতী মূল বাড়ির উঠানে বসে আছে। সে মজার একটা দৃশ্য দেখছে। তার সামনে হাত পঁচিশেক দূরে একটা কাঁঠালগাছ। কাঁঠালগাছের নিচে গর্তমতো হয়েছে। বর্ষার পানি জমেছে। গর্তে। সেই পানিতে একটা কাক গোসল করছে। গোসল সারছে অতি ব্যস্ততায়। ঠোঁটে পানি নিয়ে পালকে মাখছে। কাকের স্নান মুগ্ধ হয়ে...

Md Yousuf

Md Yousuf Name: MD YOUSUF Father's Name: SHAZIBAL HOUQUE Mother's Name: PARUL BIBI Hight:5.4" Mobile: +8801838467839 Email:yousufhossain985@gmail.com

লঙ্কা

লঙ্কা কাকাবাবু বললেন, অসম্ভব! তোমার এ-কথা আমি কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছি না। তুমি এ-প্রসঙ্গ আর আমার কাছে বোলো না, অন্য কথা বলো? অরিজিৎ একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, কাকাবাবু, আমার যে আর অন্য কোনও উপায় নেই। কাকাবাবু ধমকের সুরে বললেন, হ্যাঁ, উপায় আছে। তুমি এক্ষুনি চান করে নাও, তারপর ভাল করে খাওন্দাও, তারপর একটা লম্বা ঘুম দাও! অরিজিৎ আবার বলল, কাকাবাবু, তুমি বুঝতে পারছ না… কাকাবাবু তাকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, আমার আর বোঝার দরকার নেই। তারপর তিনি গলা চড়িয়ে ডাকলেন, সন্তু! সন্তু!সন্তু একটু আগেই ব্যাডমিন্টন খেলে ফিরেছে। কাকাবাবুর ঘরে একবার উঁকি মেরে ওপরের ঘরে চলে গেছে। কাকাবাবুর ডাক শুনে নীচে নেমে এল তরতর করে। মা-বাবা বেড়াতে গেছেন। পুরী, বাড়িতে আর বিশেষ লোকজন নেই। কাকাবাবুর ঘরে একজন ভদ্রলোককে দেখতে পেল সন্তু, মুখটা চেনা-চেনা। খুব সম্ভবত মধ্যপ্রদেশে কোথাও দেখা হয়েছিল। কিন্তু এখন তার মুখে খোঁচাখোঁচা দাড়ি। মাথার চুল ধুলোবালি-মাখা, তার গায়ের প্যােন্টশার্ট দোমড়ানো-মোচড়ানো, কেমন যেন পাগল-পাগল চেহারা। কাকাবাবু বললেন, অরিজিৎকে চিনতে পারছিস তো, সন্তু? অরিজিৎ সিকদার। সেই একবার বস্তার জেলার ...