Skip to main content

ভালবাসার সঙ্গা:-

ভালোবাসার সংজ্ঞা দিয়েছেন বিভিন্ন দার্শনিক
বিভিন্ন ভাবে । ব্যক্তি ভেদে এই সংজ্ঞা বদলে যায় ,
যেমন বিখ্যাত গণিতবিদ পীথাগোরাস কে আমরা সবাই
কম-বেশি চিনি। একবার কোন এক “ ভালোবাসা দিবস” এ
এক লোক পীথাগোরাস কে জিজ্ঞেশ করেছিল, আপনার
কাছে ভালবাসা’র সংজ্ঞা কী হতে পারে? পীথাগোরাস
কোনো কথা না বলে খাতা-কলম নিয়ে বসে পরলো।
তারপর কিছুক্ষন পর বলল, আমার কাছে ভালবাসা হচ্ছে
২২০ এবং ২৮৪ এর উৎপাদক ।তখন লোকটি বলল , কীভাবে?
পীথাগোরাস বলল , ২২০ এর উৎপাদক হলো
১,২,৪,৫,১০,১১,২০,২২,৪৪,৫৫,১১০ এবং ২৮৪ এর উৎপাদক হলো
১,২,৪,৭১,১৪২ এখন আপনি যদি ২২০ এর উৎপাদক গুলোকে
যোগ করেন তাহলে যোগফল হবে ২৮৪
(১+২+৪+৫+১০+১১+২০+২২+৪৪+৫৫+১১০=২৮৪) এবং ২৮৪ এর
উৎপাদক গুলোকে যোগ করেন তাহলে যোগফল হবে ২২০
(১+২+৪+৭১+১৪২=২২০) কী! মজার না? আবার দেখুন
আমাদের দেশের কবি রফিক আজাদের একটা কবিতা
আছে, "ভালোবাসার সংজ্ঞা" ভালোবাসা মানে দুজনের
পাগলামি, পরস্পরকে হৃদয়ের কাছে টানা; ভালোবাসা
মানে জীবনের ঝুঁকি নেয়া, বিরহ-বালুতে খালিপায়ে
হাঁটাহাঁটি; ভালোবাসা মানে একে অপরের প্রতি খুব
করে ঝুঁকে থাকা; ভালোবাসা মানে ব্যাপক বৃষ্টি, বৃষ্টির
একটানা ভিতরে-বাহিরে দুজনের হেঁটে যাওয়া;
ভালোবাসা মানে ঠাণ্ডা কফির পেয়ালা সামনে অবিরল
কথা বলা; ভালোবাসা মানে শেষ হয়ে-যাওয়া কথার
পরেও মুখোমুখি বসে থাকা। আবার মওলানা জালালুদ্দিন
রুমি (রহঃ) এর কবিতার একটা লাইন "আমার কোন ধর্মীয়
অনুভব নেই, ভালোবাসা আমার ধর্ম, হৃদয় আমার
উপাসনালয়"
MD. YOUSUF

Comments

Popular posts from this blog

ভারতে কলেজ ছাত্রীর সাথে অস্লিল কর্মের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ারকরল বন্ধু।

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে এক তরুণীকে হেনস্তা করে ভিডিও ছেড়ে দিয়েছে এক যুবক। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ছবি : এনডিটিভি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে ১৯ বছর বয়সী এক কলেজছাত্রীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার পর ভিডিও ধারণ করে তা বন্ধুদের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছে এক যুবক। এ ঘটনায় ছাত্রীর ছেলেবন্ধু ওই যুবকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চলতি বছরের আগস্টে এ ঘটনা ঘটে। গত মঙ্গলবার ছাত্রীর বাবার করা অভিযোগের ভিত্তিতে অন্ধ্রপ্রদেশের প্রকাসম জেলা থেকে  তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। Advertisement ভিডিওতে দেখা যায়, ওই তরুণী হামলাকারীদের কাছ থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিতে কাকুতি-মিনতি ও আর্তনাদ করছেন। কিন্তু হামলাকারীরা তাঁর পোশাক অনাবৃত করে ধর্ষণের চেষ্টা করছে। ওই সময় হামলার শিকার তরুণীর পাশে থাকা আরেক মেয়েকে ধরার প্রাণপণ চেষ্টা করছিল। ওই মেয়েটি তরুণীকে বাঁচাতে সামান্য চেষ্টা করেছেন। অন্ধ্রপ্রদেশের পুলিশের ভাষ্য, ওই কলেজছাত্রী ও তাঁর এক বন্ধু বি সাইয়ের (ছেলেবন্ধু) সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। বি সাইয়ের সঙ্গে এক বছর আগে থেকে তরুণীর পরিচয় ছিল। মন্দিরে যাওয়ার পর বি সাইয়ের বন্ধু কার্তিক (যে তরুণী...
yousufhossain985.blogspot.com আজ থেকে মবিন তার নতুন স্টুডেন্ট অভিকে প্রাইভেট পড়াতে শুরু করে, অভির সাথে পরিচয় পর্ব শেষ করে ওর পড়ালেখার কি অবস্থা, সিলেবাসে কি আছে, ও কেমন পারে ইত্যাদি খোজ খবর নিচ্ছে। এমন সময় একটা মেয়ে মবিনের পিছনে এসে দাড়ায়, মেয়েটা দুইটা কাশি দিয়ে মবিন কে আওয়াজ দেয়। মবিন পিছনে তাকিয়ে দেখে একটা মেয়ে হাতে হাত বেঁধে, ঘাড় বাকিয়ে রুদ্রমূর্তি ধারন করে দাঁড়িয়ে আছে, যেন অনেকক্ষণ যাবত ওকে সহ্য করছে, ছাড়া পেলে এখনই মবিনকে তুলধুল করবে। মবিন হা করে তাকিয়ে আছে, যেন ও ভুত দেখছে, কিন্তু এটা ভুত না মবিনের ক্লাসমেট আইরিন। আইরিন নীরবতা ভেঙ্গে বলতে শুরু করে= কি ব্যাপার তুমি আমার ফোন কল রিসিভ করছ না, ম্যাসেজ রিপ্লে করছ না, ব্যাপার কি? মবিন= তুমি এখানে কেন? দেখ এখানে কোন সিন ক্রিয়েট করবে না, এখানে আমি পড়াতে এসেছি। আইরিন= জানি, আমার ছোট ভাই অভিকে পড়াতে এসেছ। মবিন= মানে? আইরিন= মানে এটা আমারই প্ল্যান, তুমি আমার কাছ থেকে দূরে দূরে থাকতে চাও তো? তারই ব্যাবস্থা করলাম। এখন থেকে আমাদের প্রতিদিন সাক্ষাৎ হবে, দেখা হবে, কথাও হবে। বুঝলে চান্দু। আইরিন ওর ছোট ভাই আবিরের দিক...

ভালবাসার গল্প

সারারাত লেখালেখি করে শেষ রাতের দিকে ঘুমিয়ে সকালে ঘুম ভাঙতেই চিৎকার চেঁচামেচি শুনতে দেরি হলোনা। আর তাই বুঝতেও দেরি হলোনা, যে চেঁচামেচিটা কাকে নিয়ে !! . কাল তনু লবণ আনতে বলেছিল, ভুলে গিয়েছিলো, আর সকালে উঠেই তনু রান্না ঘরে গিয়েই তাই শুরু করে দিয়েছে । . #অভ্র কিছু বুঝে উঠার আগেই তনুর হুঙ্কার, . -- আচ্ছা, কাল বাজারে গিয়েছিলেন আপনি? আপনাকে আমি কিছু আনতে বলেছিলাম, আপনার কি মনে আছে? . -- ইয়ে মানে না মানে……… . -- কি, বলেন? . -- আসলে আমার ভুল হয়ে গিয়েছে। . -- না না, আপনার ভুল হবে কেন? ভুল আমারই। আপনাকে বাজার পাঠিয়ে, মস্ত ভুল করেছি আমি। এরপর থেকে নিজেই বাজারে যাব আমি। আপনাকে দিয়ে কিচ্ছু হবেনা, বেশ বুঝেছি আমি। . -- আসলে আমি দুঃখিত। ভুল করে ফেলেছি। আর হবেনা। . -- নাহ, ঠিক আছে, বেশ করেছেন। এখন লবণ ছাড়া নাস্তা করেন। আস্তে আস্তে হাত মুখ ধুয়ে নাস্তার টেবিলে বসলো। . তনু লবণ নিয়ে এখনো বকাবকি করছেন। অথচ, খেতে গিয়ে দেখলো, সব ঠিক ঠাক, লবণ এর পরিমানও ঠিকই আছে। . -- তাহলে? . অভ্র মুচকি হাসলো। খাওয়ার টেবিল থেকে উঠে রান্না ঘরে যেয়ে তনুকে পিছন থে...